মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৩

কি ঘটেছিল সেদিন

কি ঘটেছিল সেদিন ফটিকছড়িতে প্রকৃত সত্য জানুন.. 
*********************************
এই লেখা গুলো কোন মিড়িয়াতে আসেনাই, যথেষ্ট তথ্যপ্রমান সাপেক্ষে এই লেখা সাজানো হয়েছে।
-----------------------------------------------------
১১ই এপ্রিল ২০১৩ সেদিন ছিল শিবিরের ডাকা দেশব্যাপি হরতাল, আওয়ামিলীগ কর্মীরা বের হয়েছিল তাদের শক্তি প্রর্দশনের জন্য। নেতৃত্ব দিয়েছিল এটিএম পেয়ারুল ইসলাম নামের গত এমপি নির্বচনে সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর কাছে হরে য়াওয়া প্রাথী। তার সাথে ছিল ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী গ্রুপ তায়্যুব বাহিনী, যার মাললার সংখ্য ৩৫টি, আর এই সন্ত্রাসী বাহিণীর কাছে ছিল অত্যধুনিক সমরাস্ত্র। তাদের পাহারায় ছিল স্থানিয় পুলিশ বাহিনী। তাদের সাথে ছিল ২০০ টি মোটর সাইকেল, ৫ টি মিনি ট্রাক, ৩ টি মাইক্রোবাস, ২ টি কার। এলাকার লোকের কাছে জানাযায় তাদের সংখ্য ছিল ৬০০ থেকে ৭০০ আওয়ামী লীগ, ছাত্র লীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসী। তারা এসেছিল বিশাল গাড়ি বহর নিয়ে ৯ কিলোমিটার দুর থেকে ফটিকছড়ির ভুজপুর নামক গ্রামে মাদ্রাসা গুড়িয়ে দেওয়ার জন্যে। উল্লেখ্য তারা এর ২দিন আগে হেফাজতে ইসলামের হরতালে তাদের এলাকায় হরতাল বিরুধী মিছিলে ফটিকছডির বিভিন্ন মাদ্রাসা ঘুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
প্রথমেই ভুজপুর বাজারে নেমে এক বৃদ্ধের দাড়ি নিয়ে টানা টানি শুরু করে এবং তাকে রাজাকার বলে গালাগালি শুরু করে।স্লোগানের মাঝে তারা এক ভয়ংকর স্লোগান দেয়, মৌলানা শফির গা…/জুতা মা..(নাউযুবিল্লাহ) এই স্লোগন শুনার পর মাদ্রসার ভিতরে অবস্থান করা কিছু বাচ্ছা ছেলে নিজেদের কে আর স্থীর রাখতে পারে নাই। তারা নারায়েতকবীর…/ নাস্তিকদের গালে গালে জুতা মারো তালে তালে স্লোগান ধরে। এর পর আওয়ামী সন্ত্রাসী গুলো মাদ্রসা লক্ষ্য করে ইটা নিক্ষেপ করে, কয়েটা মাদ্রাসার ছাত্রকে মারধর করতে থাকে। এর মধ্যে বাজারে ছড়িয়ে যায় মাদ্রসার ছেলেদের মরধর করতেছে সন্ত্রাসীরা, পরিস্তিতি মুহুর্তের মধ্যেই গোলাটে হয়ে যায়, সবাই সংঘবদ্ধ হয়ে সন্ত্রসীদের প্রতিরোধ শুরু করে। এরই মধ্যে একজনে মসজিদের মাইকে ঘোষনা দিয়ে সন্ত্রাসী প্রতিরোধ করার আহবান জানায়, চারদিক থেকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ যার যা আছে তাই নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। ভুজপুর বাজারের পড়েযায় ১৭টি লাশ। অনেকেই পালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু ব্যার্থ হয় সারা গ্রাম দৌড়িয়ে দৌড়িয়ে পিটাত থাকে, অর্ধশত আওয়ামী সন্ত্রাসী কে হত্যা করে ৩০০ সন্ত্রাসীকে আহত করে। পুলিশ ব্যর্থ হয়ে বিড়িয়ার কল করলে নেতা টাইপের কিছু সন্ত্রাসী জানে বেছে যায়। তাদের বহনকারী ২০০ মোটর সাইকেল ও অন্য সব গাড়ী গুলো জনতা জ্বালিয়ে দেয়, সাথে আগুন নিভাতে আসা ফায়ার ব্রিগেটের একটি গাড়িও জ্বালিয়ে দেয়।
ফটিকছড়ি থানা থেকে এটাকে পৃথক করা হয়েছে। তাদের পক্ষে লক্ষাধিক মানুষ সামাল দেয়া সম্ভব ছিল না। তাদের সাথে যোগ দিল ফটিকছড়ি থানার ২৫-৩০জন পুলিশ। না, তারা্ও ব্যার্থ। পাবলিক তাদের হালকা পাতলা মাইর দিয়ে ভাগায়। পুলিশ আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল হতাহত মানুষগুলোরে চিকিত্সা দিতে, কিন্তু জনগণ নাছোড় বান্দা, তাদের জীবিত ছাড়তে রাজি নন। অবশেষে বিজিবি আসলে তাদের পরিস্থিতি কিছুটা শীতল হয়। ততক্ষণে পাবলিক তার কাম বুঝায় দিছে, বাকি রইলোনা মাইর খাওয়ার মত কেও।

প্রশাসনের ব্যর্থতা ডাকতে লাশ গুম করা হল। সংঘর্ষের তিনদিন পরও লাশ মিলে খালে বিলে ডোবায়। গণপিটুনীতে অংশগ্রহণকারীদের কারো কারো মতে মৃতের সংখ্যা ১০০ এরও অধিক। তাছাড়া এই সংবাদ প্রচার হলে সারা দেশে ছাত্রলীগের মনোবল ঠিক রাখা যাবে না । ছাত্রলীগ নেতা -কর্মীরা পালিয়ে যাবে, যা আগামী নির্বাচনের জন্য হুমকি হয়ে যাবে। তাই মাইর খেয়েও চিৎকার করতে পারছে না আবার সহ্যও করতে পারছে না।

সন্ত্রাসী হত্যা = ৫০+
সন্ত্রাসী আহত = ৩০০+
মোটর সাইকেল জ্বালীয়ে দেওয়া = ২০০+
কার, মাইক্রো, মিনি ট্রাক জ্বালীয়ে দেওয়া = ১০+
ফায়ার ব্রিগেটের গাড়িও জ্বালিয়ে দেওয়া = ১

এত লাতি খাওয়ার পরও আওয়ামী লীগ কিছুই করতে পারবেনা, কারন দেশে ১০% লোকও আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেনা, ফটিকছড়ির মতো যেখানেই গুন্ডামি করবে, সেখানেই গণ ধোলাই খেয়ে প্রাণ হারাবে...

সোমবার, ৪ মার্চ, ২০১৩

দেশে আবার ১/১১ চাই অতিশিঘ্রী

আমি জানি , কেউ আর এখন আমার সাথে একমত হতে চাইবেন না। কিন্তু এর সমাধান কোথায়? দিতে পারবেন কেউ আমার প্রশ্নের উত্তর?
কাকে ভোট দিব আমি?
চোরের দল বি এন পি কে?
নাকি চোরের বড় ভাই , মিথ্যুক , বলদ আওয়ামিলিগ কে?
এর চেয়ে ১/১১ ই ভাল।

গত ২০০৭, ২০০৮ সেনা শাসনের সময় দেশের জনগণ বড় আশা করে বুক বেঁধেছিল এবার হয়তো আমাদের রাজনীতির পরিবর্তন হবে, দিন বদল হবে। দেশ ও মানুষের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো কাজ করবে কিন্তু সে আশা মরিচিকা। গু গু'ই ! হাসিনা খালেদার পরিবর্তন সম্ভব না তা গত আড়াই বছরে দেশের তরুন সমাজ এই বিষয়টি চুড়ান্ত ভাবে বিশ্বাস করেছে। তাই আজ দেশের নতুন প্রজন্ম, ৭৫% জনগণ আকুল হয়ে আর একটা ১/১১ এর অপেক্ষায় আছে এবং পরিকল্পনা করছে অন্তত ১০ বছর সেই ১/১১ ধরে রাখতে। আপনার ভোট দিন। 

রবিবার, ৩ মার্চ, ২০১৩

এই গণহত্যার শেষ কোথায়?


সাঈদীর মুক্তি দাবি করায় আজ বগুড়ায় ঘাতক পুলিশের নির্মম বুলেটে ঝরে গেল ১২টি তাজা প্রাণ। এই গণহত্যার শেষ কোথায়?
সারাদেশে নরকীয় গনহত্যা চালাচ্ছে খূনী সরকার..এই হত্যাযজ্ঞের শেষ কোথায়?? সারাদেশব্যপী ফ্যাসিস্ট আ'লীগ সরকার কর্তৃক বিরোধী দলীয় নেতাকর্মী ও নিরীহ জনগন নির্যাতন ও গণহত্যার স্বীকার হচ্ছে.....কোথায় কথিত মনবাধিকারের বুলিওয়ালা দালালেরা ..... সুশীল সমাজের কুশীলবরা। ধিক্কার জানাই ওইসব দালালদের.

আওয়ামীলীগ,বি,এন,পি,জামাত,জাতীয়পার্টি দূর হয়ে হয়ে যাক।


সত্য করে বলেন তো ১/ ১১ বাংলাদেশের জন্য খারাপ ছিল কিনা ? আমার মনে হয় এদেশের জন্য ঐরকম শাসন ব্যবস্থা একান্ত প্রয়োজন ।ঐ সময় আমরা রাজনীতিবিদের আসল রূপ দেখতে পেয়েছিলাম এই ১/১১ এর কল্যাণে ।সবাই ঠিক সময়ে অফিসে আসত, সবার ভিতর একটা ভয় কাজ করত ।সত্য যদি মাইনাস ২ হতো এদেশে একটা আসল পরিবর্তন হতো।রাজনীতির জন্য এটা শুভ বার্তা বয়ে আনত। কিন্তু এদেশের বোকা জনগন তাদের সহোযোগিতা না করায় ১/ ১১ এর নায়করা তাদের পিঠ বাচিয়ে সরে পড়তে বাধ্য হয়েছিল । আমার মনে হয় বাংলাদেশে একজন অনেস্ট লোকের দীর্ঘমেয়াদী একনায়কতন্ত্র প্রয়োজন ।
যেমন ধরেন 
হাইব্রিড হানিফ একটা খুজলি,
টাকু কামরুল একটা বিখাউজ,
সাহারা খাতুনের আছে পাচড়া,
আশরাফের একজিমা,(ঘুম থেকে উঠে সকাল ১১টায়)
আওয়ামী দালালদের আছে দাউদ
আর 
শেখ হাসিনার চুলকানি (মুখে চুলকানি)
গণতন্ত্র নামে স্বৈরশাসন ও পুলিশতন্ত্র চাই না.....চাই শান্তি 
চাই না শেখ হাসিনার মিথ্যা ও প্রতিহিংসামূলক দেশ শাসন....
এদের সকলের কঠিন ডলা মলম দরকার.....
এবং পুরো জাতির শান্তি ও মঙ্গলের জন্য আরেকবার মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকার চাই
কারণ
জনগণের শান্তির নামে অশান্তি ও ক্ষমতার হানাহানির গণতন্ত্রের চেয়ে সামরিক শাসন অনেক শান্তির এবং অনেক স্বাধীন একজন সাধারণ মানুষের কাছে......
অন্তত সে নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারে, বলতে পারে,পুলিশ লাঠির মতো সোজা হয়ে মানুষের সেবা করে, রাস্তায় আইন সঠিক ভাবে প্রয়োগ হয় যা দেখেছি মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকারের সময়।
আমারতো কোনো সমস্যা হয়নি তাদের সময় সমস্যা যা হয় ঐ বদ,অসৎ ও মিথ্যাবাদী রাজনীতিবিদদের। তাদের ঘুম হারাম করে দিয়েছিল মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকার।
কোথায় আছো হে মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন ফিরে এসো আরেকবার...... 
যাকে কোলে তুলে ক্ষমতায় বসিয়ে গিয়েছো তাকে একটা আছাড় দিয়ে নামিয়ে যাও.....
আমরা তোমাদের অপেক্ষায় রইলাম....

তৃতীয় শক্তির উদ্ভব হবেই



হে আল্লাহ্‌ তুমিই একমাত্র পার আমাদের বাংলাদেশে শান্তি পিরে দিতে।আমরা কার কাছে যাব? বাংলাদেশে সব রাজনৈতিক দল সুবিদা বাদি। এক দলের কাছে গেলে আরেক দলের দোষ দে আবার আরেক দলের কাছে গেলে অন্য দলের দোষ দে। সব সমস্যা আমাদের মত সাধারন পাবলিকের ,এই পর্যন্ত এত গুলো লোক যে মারা গেলে এর বিতরে কি আমাদের মত এক জনও সাধারন লোক নাই ,যে কোন দল করে না?বাংলাদেশে কেন এত মারামারি হানাহানি হচ্ছে ? কেন? কেন


এ নোংরা রাজনীতি বাদ দিতে কিছু দিনের জন্য হলে সেনা শাসনের প্রয়োজন ও দেশের নিরহ অবুঝ মানুষ গুলোকে বাঁচাতে। আসুন আমরা জনমত গঠন করি 
এখানে এটি বিষয় না বললে নয় সেটি হলো মাননীয় শেখ হাসিনা, খালেদা, সাঈদির ও অন্যান্য নেতার কোন আত্বীয় হত্যার শিকার হয়েছে কি? না বরং নিরহ হত দরিদ্র ও অবুঝ মানুষ গুলো হত্যার শিকার হচেছ। যাদের ১৯৭১ সালে পৃথিবীতে জন্ম হয়নি তারা তো হত্যার শিকার হচেছ। তাদেরকে আপনি শিবির বলেন, আর শাহবাগী নেতা বলেন তারা তো হত্যার শিকার হচেছ ও হবে। মাঝখানে আওয়ামীলীগ, বি,এন,পি,জামাত ও অন্যান্য দলের নেতার সুযোগ লুটবে আর আপনার লাশ মাঠির তলে যাবে এতে দেশের কি লাভ করতে পারবেন একটু চিন্তা করেন

ব্রেকিং নিউজ

: বগুড়ায় মাঠে নামানো হয়েছে সেনাবাহিনী। জনতা করতালি দিয়ে তাদের স্বাগত জানিয়েছে। মহিলাসহ ৪ এলাকাবাসী হত্যার পর পালিয়েছে পুলিশ। ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে হাজার হাজার মানুষের অবস্থান।