এখানে এটি বিষয় না বললে নয় সেটি হলো মাননীয় শেখ হাসিনা, খালেদা, সাঈদির ও অন্যান্য নেতার কোন আত্বীয় হত্যার শিকার হয়েছে কি? না বরং নিরহ হত দরিদ্র ও অবুঝ মানুষ গুলো হত্যার শিকার হচেছ। যাদের ১৯৭১ সালে পৃথিবীতে জন্ম হয়নি তারা তো হত্যার শিকার হচেছ। তাদেরকে আপনি শিবির বলেন, আর শাহবাগী নেতা বলেন তারা তো হত্যার শিকার হচেছ ও হবে। মাঝখানে আওয়ামীলীগ, বি,এন,পি,জামাত ও অন্যান্য দলের নেতার সুযোগ লুটবে আর আপনার লাশ মাঠির তলে যাবে এতে দেশের কি লাভ করতে পারবেন একটু চিন্তা করেন
শনিবার, ২ মার্চ, ২০১৩
গণহত্যা ঠকাতে বাংলাদেশে সেনা শাসন আশু প্রয়োজন
এখানে এটি বিষয় না বললে নয় সেটি হলো মাননীয় শেখ হাসিনা, খালেদা, সাঈদির ও অন্যান্য নেতার কোন আত্বীয় হত্যার শিকার হয়েছে কি? না বরং নিরহ হত দরিদ্র ও অবুঝ মানুষ গুলো হত্যার শিকার হচেছ। যাদের ১৯৭১ সালে পৃথিবীতে জন্ম হয়নি তারা তো হত্যার শিকার হচেছ। তাদেরকে আপনি শিবির বলেন, আর শাহবাগী নেতা বলেন তারা তো হত্যার শিকার হচেছ ও হবে। মাঝখানে আওয়ামীলীগ, বি,এন,পি,জামাত ও অন্যান্য দলের নেতার সুযোগ লুটবে আর আপনার লাশ মাঠির তলে যাবে এতে দেশের কি লাভ করতে পারবেন একটু চিন্তা করেন
একান্ত সাক্ষাত্কারে নিহত বিডিআর মহাপরিচালক শাকিল আহমেদের ছেলে
একান্ত সাক্ষাত্কারে নিহত বিডিআর মহাপরিচালক শাকিল আহমেদের ছেলে : রাজনৈতিক প্রটেকশন ছাড়া পিলখানা হত্যাকাণ্ড সম্ভব ছিল না : হত্যাকাণ্ডের কথা শেখ হাসিনা জানতেন

ঐ ছেলের কথায় যথেষ্ট যুক্তি আছে কারন সাধারণত দেখা যায় সশস্ত্র বাহিনীর কোন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী থাকেন প্রধান অতিথি তো ২৫ শে ফেব্রুয়ারি আমাদের হাসিনা বুবু কেন পিলখানায় গেলেন না? ২৫ শে ফেব্রুয়ারীর আগের দিন অর্থাৎ ২৪ শে ফেব্রুয়ারী উনি সেখানে যাওয়া বাতিল করলেন কেন? দেশ বাসীকে আজ গভীরভাবে ভাবতে হবে! বুঝলাম উনি কোন কারনে যাননি তাহলে আর্মি পাঠাতে উনার অসুবিধা ছিল কোথায়? কেন তিনি সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত ফোর্স পাঠাতে নিষেধ করলেন? জাতি আজ এই প্রশ্নের উত্তর চাই!
শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০১৩
চরম লজ্জিত আজ আমি এ জাতির একজন হয়ে ।
চরম লজ্জিত আজ আমি এ জাতির একজন হয়ে ।
আমি খুবই মর্মাহত এ ভূমিতে জন্ম নিয়ে ।আমি ঘৃনা করি এদেশের সরকার ।যে সরকার একদিনে ৮০ জন লোক হত্যা করেছে অথচ তার মন্ত্রীগন পদত্যাগতো থাক দূরের কথা সগর্বে বুলি আওড়াচ্ছেন ।আমি ঘৃনা করি এদেশের মানুষজনকে যারা এ সরকারকে নির্বাচন করেছে ।আমি ঘৃনা করি তোদের ।আমি ঘৃনা করি ।আমি চরম লজ্জিত ১৬ কোটি বাংলীর আমিও যে ভোট দিয়ে সরকারকে ক্ষমতায় এনেছি একদিনে ৮০ জন মানুষ হত্যা করার জন্য । ভোট দিয়ে এ সরকারকে ক্ষমতায় এনেছি বলে আমিও এই গনহত্যাযজ্ঞের পরোক্ষ অংশীদার । আমি আমার মুসলমান ভাইদের হত্যা করেছি।
ভয়ংকর লজ্জিত আজ আমি ।মা জননী আমার , ক্ষমা করো আমায়।
স্বাদ নেই আর আমার বেঁচে থাকার । চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে না আর আমার আমি বাংলাদেশী আমি মুসলমান আমি বাঙ্গালী ।ঘৃনা করি বুদ্ধিবেশ্যাদের । ঘৃনা করি অসুস্থ সময় ।ঘৃনা করি মানবতাবাদী কুকুরদের ।ঘৃনা করি যারা আজ নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ দাবি করে মানুষ হত্যা করছে ।
চরম ধিক্কার জানাই সময়ের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হলুদ মিডিয়ার প্রতি ।
থু থু ছিটাই আমি তাদের মুখে নাস্তিকদের কাছে যারা বিকিয়ে দিয়েছে নিজেদের বুদ্ধিবৃত্তিকে ।
আমি হতাশ, আমি স্তব্ধ।বাকহারা আজ আমি
পুলিশের গুলিতে নিহত ৭৭ জন
বায়ান্নর ফেব্রুয়ারিতে নিহত হয়েছিল ৫ জন : এই ফেব্রুয়ারিতে পুলিশের গুলিতে নিহত ৭৭
পুরো ২৪ বছরের পাকিস্তানি শাসনামলে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা ছিল দু’ডজনেরও কম
স্বাধীন বাংলাদেশে এক মাসে এত সংখ্যক নাগরিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে রাজপথে নিহত হয়নি। কেবল স্বৈরাচারী এরশাদের বিরুদ্ধে ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামের এক সমাবেশে পুলিশ গুলি চালিয়ে ১৪ জনকে হত্যা করেছিল। এছাড়া বাংলাদেশে পুলিশের গুলিতে এতসংখ্যক লোকের মৃত্যু হয়নি।
গত ১৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ১১ দিনে ১৮ জন মুসল্লি পুলিশের গুলিতে নিহত হন
হন
২০১৩ তে এসে গনহত্যা দেখলাম
রার, যারা ফাঁসি চায় না তাঁদের কি অধিকার নাই? ৭১ এর গনহত্যা দেখিনি কিন্তু ২০১৩ তে এসে গনহত্যা দেখলাম! এই গনহত্যা দেখে মনে প্রশ্ন জাগে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়ানো ঐ রাজাকার গুলো কি এখনকার গনহত্যাকারিদের চেয়েও হিংস্র ছিল । মানুষ এতধিক্কার জানাই বর্তমান সরকারকে । নিরস্র মানুষগুলোর উপর নির্বিচার গুলিবর্ষণ । রাস্তায়, ধান ক্ষেতে, বসতবাড়িতে, পুকুর, ডোবায় সব জায়গাই নির্বিচারে মানুষ হত্যা! কি তাঁদের অপরাধ? তাঁদের প্রিয় একজনের মিথ্যা বানোয়াট মামলায় সরকারের আজ্ঞাবহ আদালতের ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ! তাঁদের কি প্রতিবাদ করার অধিকার নেই । কতজন ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই করে রাস্তায় নেমেছে? তাঁদের থেকে অনেক বেশি মানুষ ফাঁসি চাই না বলে রাস্তায় নেমেছে । শুধু যারা ফাঁসি চাই তাঁদের অধিকার আছে বিক্ষভ ক হিংস্র হয় কি করে! যে গণহত্যা চোখে দেখিনি তার জন্য ফাঁসি চেয়ে গলা ফাটাচ্ছি কিন্তু যে গণহত্যা সচক্ষে দেখচি তার সুবিচার চাওয়ার সাহস বা অধিকার কি আমদের নেই ।.
আওয়ামী লীগ আবার প্রমান করল
আওয়ামী লীগ আবার প্রমান করল.
আওয়ামী লীগ কোনো গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল না.
এটি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন.
একটি জঙ্গি সংগঠন.
একটি স্বৈরাচারী দল.
একটি বাকশালী সংগঠন.
একটি ফ্যাসিবাদী সংগঠন.
একটি অগণতান্ত্রিক সংগঠন.
ভারতের পদলেহী দালাল.
যারা ভারতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন.
দেশ থেকে ইসলামকে নির্মূল করা.
দেশ থেকে ইসলামী আন্দোলন দূর করা.
দেশকে সৎ, যোগ্য, মেধাবী, দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব শুন্য করার জন্য.
আজ তথাকথিত আইন শঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নামে.
দলীয় রক্ষীবাহিনীর মাধ্যমে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে।.
বাংলার মানুষই এর উপযুক্ত জবাব দেবে।.
আওয়ামী লীগ কোনো গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল না.
এটি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন.
একটি জঙ্গি সংগঠন.
একটি স্বৈরাচারী দল.
একটি বাকশালী সংগঠন.
একটি ফ্যাসিবাদী সংগঠন.
একটি অগণতান্ত্রিক সংগঠন.
ভারতের পদলেহী দালাল.
যারা ভারতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন.
দেশ থেকে ইসলামকে নির্মূল করা.
দেশ থেকে ইসলামী আন্দোলন দূর করা.
দেশকে সৎ, যোগ্য, মেধাবী, দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব শুন্য করার জন্য.
আজ তথাকথিত আইন শঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নামে.
দলীয় রক্ষীবাহিনীর মাধ্যমে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে।.
বাংলার মানুষই এর উপযুক্ত জবাব দেবে।.
বৃহস্পতিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
এখন পর্যন্ত ৫০ জন শহীদ
সোনার বাংলা আজ পরিণত হয়েছে মহাশ্বশানে। হত্যা, গুপ্ত হত্যা, ধর্ষণ, গণ ধর্ষণ চারিদিকে কেবলই পৌশাচিক বিভৎসতা। সভ্যতার দম্ভচূড়ায় দাড়িয়ে বিশ্ব কি করে জানবে বাংলাদেশের অপর নাম জাহান্নাম? কি করে বিশ্বাস করবে বিশ্ব বিবেক যে বাংলাদেশে আওয়ামী সরকারের মাত্র আড়াই বছরে দেশে খুন হয়েছে সাড়ে আট হাজার, দুঃস্বপ্নেও কি কখনো ভাবতে পারে যুদ্ধ ছাড়াই কোন দেশে সরকারের মাত্র আড়াই বছরে ধর্ষিত হয় ১ হাজার ২ শত ৩৯ জন মা-ভগ্নি-কন্যা? যুদ্ধের সময়েওকি কোন দেশের সীমান্তে মাত্র আড়াই বছরে প্রাণ হারায় ১৮৩ নিরীহ নাগরিক, তথাকথিত বন্ধুদেশের বিএসএফের পৈশাচিকতায় যা ঘটে গেলো বাংলাদেশে? অথচ এটিই এখন বাংলাদেশের বাস্তবতা। না, মু মুহূর্তে বাংলাদেশ কোন সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সাথে প্রত্যক্ষ সমরে অবতীর্ণ নয়, চলছে না ভয়ংকর কোন গৃহযু্দ্ধ। তবুও প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের প্রতিটি কোনে কোনে কেন এই রক্ত ক্ষরণ? তবে কি বাংলাদেশের সরকার জনগণকেই প্রতিপক্ষ মনে করে, তবে আওয়ামী সরকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ১৬ কোটি নিরীহ শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশীদের সাথে?
কি অপরাধ বাংলাদেশের? কি অপরাধ বাংলাদেশের ষোল কোটি মানুষেএর? এক সাগর রক্তের বিনিয়মে অর্জিত স্বাধীনতাকে প্রতিবেশী বন্ধুবেশী হায়েনাদের হাত থেকে রক্ষার প্রত্যয়ে উজ্জীবিত বাংলাদেশীর নির্ভেজাল দেশপ্রেমই কি অপরাধ? ৯০ শতাংশ মুসলিম জনতার আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপনই কি অপরাধ? অন্যায়, অপশাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশী মানুষের রুখে দাড়ানোই কি অপরাধ?
বাঙলার স্বাধীনতা র্সূয যেমন পলাশীর প্রান্তরে অস্তমিত হয়েছিল মীরজাফরের মতো নর্দমার কীটের ষড়যন্ত্রে, আজো তেমনি বাংলার রক্তিম সূর্য ঢেকে দিতে চায় শেখ হাসিনার অস্পৃশ্য আঁচল। কে না জানে, প্রতিবেশী দেশের ষড়যন্ত্রে, আতাতের নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগ। কেন এসেছে তারা ক্ষমতায় তাও কারো অজানা নয়। দেশের তেল-গ্যাস-সমুদ্রবন্দর দিতে হবে প্রভুদের, দিতে হবে ট্রানজিট ট্রান্সশিপমেন্ট। অথচ ইতোমধ্যে চলে গেছে আড়াইটি বছর। প্রভুদের তীব্র তাড়নায় বেসামাল আওয়ামী সরকার, বিরক্ত আওয়ামী লীগের প্রভূরাও। চারি দিকে শত্রুবেষ্টিত ভারতের কাছে বাংলাদেশের আওয়ামী কৃতদাসেরাই মরুভূমির মাঝে মরুদ্যানসম। দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষায় ঢাকাকে দিল্লির প্রয়োজন ষোলো আনার উপর আঠারো আনা, এমনটাই দাবী ভারতীয় আনন্দবাজার পত্রিকার।
আওয়ামী লীগ জানুক বা নাই জানুক, তাদের প্রভূরা জানে, আওয়ামী লীগের দিন শেষ হয়ে এসেছে বাংলাদেশে। দশটাকা সের চাল আর ঘরে ঘরে চাকুরীর যে মহা প্রতারণার ফাঁদে বন্দী করে বাংলাদেশের ঘাড়ে সিন্দাবাদের ভুতের মতো জেকে বসেছে আওয়ামী লীগ, দুটো বছর যেতে না যেতেই বাংলার মানুষ প্রচন্ড আছাড়ে আওয়ামী মসনদ চূর্ন বিচুর্ন করে দিতে আজ বেপরোয়া। আর তাই ড্রাকুলার মতো ক্ষিপ্রতায় বাংলাদেশকে চুষে চুষে আখের ছোবড়া বানাতে পাগলপ্রায় আওয়ামী লীগের প্রভুরা। ওরা জানে, ষড়যন্ত্র করে বার বার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা যাবে না আওয়ামী লীগকে, জানে আমৃত্যু বোকা বানানো যাবে না ষোলকোটি বাংলাদেশীকে।
আওয়ামী লীগও জানে, প্রভুদের আস্থা ধরে না রাখতে পারলে জনরোষে ভষ্ম হতে হবে। জানে, লাঞ্ছনাকর ক্ষমতাচ্যূত হয়ে ওদের ঠাই নিতে হবে প্রভূদের পায়েই। আর তাই যে কোন মূল্যে প্রভূদের পায়ে তেল মর্দনে ব্যস্ত ওরা। তড়িঘড়ি একের পর এক অপমানজনক চুক্তিতে দেশকে শৃংখলিত করছে আওয়ামী লীগ। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সম্পদ শোষণে প্রভূদের সহায়তা দিতে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ব্যস্ত আওয়ামী লীগ। আর তাই গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করছে আওয়ামী লীগ। তুলে দেয়া হয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো একটি মীমাসিংত ব্যবস্থা। বিশ্ব দরবারে এক ঘরে করে বাংলাদেশকে কেমবল মাত্র ভারতের সেবাদাসে পরিণত করতে সংবিধান থেকে মুছে ফেলা হয়েছে ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশসমূহের সাথে সম্পর্কের ধারা। ব্রাহ্মণ্যবাদীদের তুষ্ঠ করতে, বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশকে হেয় করতে সংবিধান থেকে তুলে দেয়া হয়েছে আল্লাহর উপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাসের ধারা। ক্রমাগত খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করা হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশকে। আর এভাবেই বাংলাদেশের ভবিষ্যতকে অনিশ্চয়তার মাঝে ঠেলে দিচ্ছেন শেখ হাসিনা।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)



