*মিসবাহউদ্দীন খান
* বোরহানউদ্দীন খান জাহাঙ্গীর
* মহিউদ্দীন খান আলমগীর
তিন ভাই। দ্বিতীয় ও তৃতীয় জন নামে পরিচিত। প্রথম জন পুত্রে পরিচিত। ট
প লেভেল ঘাদানিক মুনতাসীর মামুনের পিতা তিনি। ১৯৭১ সালে মিহবাহ উদ্দীন খান চট্টগ্রামের বন্দরের কর্মকর্তা ছিলেন। বসবাস করতেন পাকিস্তানী আর্মির অন্যতম প্রধান ঘাটি বন্দরের সরকারী বাসায় ১৯৭১ সালের শেষের দিকে চরম যুদ্ধের সময় মুনতাসীর মামুনও তার পিতার সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের সরকারী বাসায় আর্মির নিরাপত্তায় বসবাস করতেন, যেন কোন সমস্যায় পড়তে না হয়। মিসবাহ উদ্দীন খান বা তার পুত্র মুনতাসীর স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন নি, এমনকি যুদ্ধের সমর্থনে পাকিস্তান আর্মির অধীনে চাকুরী করা থেকেও বিরত থাকেন নি, বাসাও ছেড়ে দেন নি। বরং পুরো সময়টি তিনি পাকিস্তানী আর্মির অধীনে চট্টগ্রাম বন্দরে চাকুরী এবং তাদের দেয়া বাসায় স্বপরিবারে বসবাস করে, পাকিস্তান আর্মিকে সহযোগীতা করেছেন।
বোরহানউদ্দীন খান জাহাঙ্গীর। ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। ঢাকা শহরের ওই সময়ের সবচেয়ে অভিজাত এলাকা ধানমন্ডীতে তিনি বসবাস করতেন। ঘাদানিক মুসতাসীর মামুন যুদ্ধ শুরুর পর চাচা বোরহানউদ্দীন খানের বাসায় চলে আসেন এবং অক্টোবর পর্যন্ত ছিলেন। ওই সময়ে পাকিস্তান আর্মি বা পাকিস্তানের কঠোর সমর্থক, সহযোগী ছাড়া ধানমন্ডীতে কেউ থাকতে পারতেন না। ঢাবি'তে নিয়মিত ক্লাস হতো না বলে ১৯৭১ সালে বোরহানউদ্দীন খান বেসরকারী ফার্মে চাকুরী নেন ও নিয়মিত অফিস করতেন। যুদ্ধের পুরো সময়ে পাকিস্তান আর্মি তাকে কোন সন্দেহ করেনি বা তিনিও কোন সমস্যায় পড়েন নি। ভালই বন্ধুত্ব ছিল আর্মির সাথে। কথাগুলো কিন্তু স্বীকার করেছেন মুনতাসির মামুন নিজেই।
মহিউদ্দীন খান আলমগীর সচিব ছিলেন, সরাসরি রাজনীতি করতেন সবই জানা ছিল। কিন্তু তিনি ১৯৭১ সালে রাজাকার রিক্রুটমেন্টের সরকারী দায়িত্ব পালন করতেন তা জাতি জানতো না। জানলেও প্রকাশ করা হয়নি। কাদের সিদ্দীকি সেটা প্রকাশ করলেন। মহিউদ্দীন খান আলমগীর পাকিস্তান আর্মির অধীনে ১৯৭১ সালে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সেই জেলা প্রশাসকের অন্যতম কাজ ছিল রাজাকার রিক্রুট করা। তার নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট জেলায় রাজাকার নিয়োগ দেয়া হতো। তথ্যেটি কাদের সিদ্দীকি প্রকাশ করার পর মন্ত্রী কোন প্রতিবাদ করেন নি। অর্থাৎ কাদের সিদ্দীকি যা বলেছেন তা পুরোপুরি সত্য।
পুরো পরিবার ১৯৭১ সালে পাকিস্তান আর্মির অধীনে চাকুরী করে, পাকিস্তানের চুড়ান্ত অনুগত থেকে, পাকিস্তান আর্মির ঘাটিতে বসবাস করে, তাদেরকে সহযোগীতা করে, রাজাকার নিয়োগের দায়িত্ব পালন করে, স্বাধীন বাংলাদেশে তারা সবাই স্বাধীনতার চেতনাবাহী! একেই বলে ভাগ্য! তারাই এখন যুদ্ধাপরাধের বিচারের মূল সৈনিক ও স্ক্রীপ্ট লেখক! ওদের দিয়েই স্বাধীনতার চেতনার বাস্তবায়ন করবেন শেখ হাসিনা !!!
শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
পুলিশের গুলিতে মহিলাসহ চারজন নিহত

মানিকগঞ্জে সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল গ্রামে হরতাল চলাকালে জামায়াত-শিবির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। স্টাফ রিপোর্টার
মানিকগঞ্জে সিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল গ্রামে হরতাল চলাকালে জামায়াত-শিবির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশের গুলিতে মহিলাসহ চারজন নিহত হয়। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের এই ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ৩০ জন।
নিহতরা হলেন, হেলেনা, শাহ আলম (২৮), আলমগীর (২৭) ও নাজিম উদ্দিন (৩০)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোবিন্দল গ্রামে জামায়াত-শিবির কর্মীরা হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় জামায়াত-শিবির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এতে পুলিশের গুলিতে কমপক্ষে ৩০জন গুলিবিদ্ধ হন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিঙ্গাইর উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হলে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে গুলিবিদ্ধ কয়েকজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের এই ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ৩০ জন।
নিহতরা হলেন, হেলেনা, শাহ আলম (২৮), আলমগীর (২৭) ও নাজিম উদ্দিন (৩০)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গোবিন্দল গ্রামে জামায়াত-শিবির কর্মীরা হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় জামায়াত-শিবির কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এতে পুলিশের গুলিতে কমপক্ষে ৩০জন গুলিবিদ্ধ হন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিঙ্গাইর উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হলে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে গুলিবিদ্ধ কয়েকজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
নিরস্ত্র জনতার ওপর বেপরোয়া গুলি
বিরোধী আন্দোলন দমাতে সরকারের নির্দেশে নিরস্ত্র জনতার ওপর বেপরোয়া গুলি চালিয়ে দেশে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। গত ৯ দিনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রাজনৈতিক কর্মী ছাড়া সাধারণ নাগরিক ও পথচারীও রয়েছেন। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও সহস্রাধিক ব্যক্তি। এদের মধ্যে অন্তত ২৫ জন সাংবাদিক রয়েছেন। শুধু গত শুক্রবার রাজধানীসহ সারাদেশে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন পাঁচ শতাধিক মুসল্লি। এর আগে সরকারবিরোধী আন্দোলন ঠেকাতে আন্দোলনকারীদের ভয় দেখিয়ে ছত্রভঙ্গ করার জন্য টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়া হলেও বর্তমানে চলছে ফ্রিস্টাইলে গুলিবর্ষণ। কঠিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জনতার ওপর গুলি ছোড়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতির বিধান থাকলেও বর্তমানে সে নির্দেশ উপেক্ষিত। অনেক সময় খুব কাছে থেকে শরীরে পিস্তল ও বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদে নামাজ শেষে মুসল্লিদের পূর্বঘোষিত বিক্ষোভের সংবাদ ও ছবি সংগ্রহ করতে গেলে মুসল্লিদের পাশাপাশি সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি ছোড়ে পুলিশ। এ সময় সাংবাদিকরা নিজেদের জীবন বাঁচাতে রাস্তায় শুয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেও পুলিশের চালানো বেপরোয়া গুলি থেকে রেহাই পায়নি। এছাড়া ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ও ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ভবনে কোনো কারণ ছাড়াই ব্যাপক গুলি ছোড়ে পুলিশ।
কক্সবাজারে ৪ : গত ১৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে কক্সবাজার শহরে সাঈদী মুক্তি পরিষদ আয়োজিত সর্বস্তরের মানুষের মিছিলে পুলিশ নির্বিচার গুলি চালায়। গুলিতে চারজন নিহত ও দেড় শতাধিক গুলিবিদ্ধ হন। নিহতরা হলেন সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের জামায়াতকর্মী নুরুল হক (৪২), পিএমখালী ইউনিয়নের মোক্তার আহমদের ছেলে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ (৪২), শহরতলীর গোদারপাড়ার কলিম উল্লাহর ছেলে শিবিরকর্মী তোফায়েল উদ্দিন (২২) ও ছালেহ আহমদ (৪৫)। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন কক্সবাজার শহরে ওইদিন বিকাল সাড়ে চারটা থেকে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে। পুলিশের নির্বিচার গুলিতে জামায়াত-শিবিরের তিন কর্মীসহ চারজন নিহত হওয়ার প্রতিবাদে পরদিন দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডাকে জামায়াত।
কুমিল্লায় ১ : গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হরতালের সময় কুমিল্লায় জাময়াত-শিবির কর্মীদের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে ইব্রাহীম নামে এক জামায়াত কর্মী নিহত হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে তার মৃত্যু হয়। এ সময় ৩ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় আরও ২৫ জন। জামায়াতকর্মী নিহতের প্রতিবাদে জেলা জামায়াত পরদিন ১৯ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লায় আধাবেলা হরতাল পালন করে। নিহত ইব্রাহীম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের আনন্দপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। গুলিবিদ্ধ গুরুতর আরও দুইজন হলেন, শিবিরকর্মী চৌদ্দগ্রামের দুর্গাপুর গ্রামের কবির আহমদের ছেলে এনায়েত ও লুদিয়ারা গ্রামের মুকবুল হোসেনের ছেলে নাঈম উদ্দিন মুরাদ।
গাইবান্ধায় ৩ : গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইসলাম ও নবী (সা.)-কে অবমাননার প্রতিবাদ ও ধর্মদ্রোহী নাস্তিক, মুরতাদদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ফুঁসে ওঠা ইসলামী জনতার মহাজাগরণ দমাতে নির্বিচার গুলি চালালে গাইবান্ধায় তিন মুসল্লি নিহত হন। এরা হলেন গোবিন্দপুরের শিবিরকর্মী মোমিন ও মুঞ্জু এবং মহদিপুর ইউনিয়নের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কোকিল। এছাড়া ২৫ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় অন্তত ৫০ জন। শুক্রবার জুমা নামাজ শেষে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সমমনা কয়েকটি ইসলামী দলের কয়েক হাজার লোক মিছিল করে রংপুর-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ করলে পুলিশ বিনা উসকানিতে ৩০ রাউন্ড গুলি চালায়। এতে ২ জন ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে নেয়ার পথে মোমিন নামে আরও একজন মারা যান। এ সময় কমপক্ষে ২০ জনকে আটক করে পুলিশ।
সিলেটে ১ : একই দিন বাদ জুমা সিলেটে তৌহিদি জনতার মিছিলে পুলিশের নির্বিচার গুলিতে মোস্তফা মুর্শেদ তাহসীন (১৮) নামে এক যুবক নিহত হয়। নিহতের বাবা নুরুল মোস্তফা জালালাবাদ গ্যাসে কর্মরত। এম সি কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্র তাহসীন জুমার নামাজ শেষে হাউজিং এস্টেট মসজিদ থেকে মুসল্লিদের মিছিলে অংশ নেয় এবং চৌহাট্টায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়। এ সময় কমপক্ষে ৫০ জন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশতাধিক আহত হন। এর পর নগরীর চৌহাট্টা পয়েন্ট ও সংলগ্ন সড়কগুলো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এছাড়া এদিন রাজধানীসহ রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সিলেট, কুমিল্লা, বগুড়া, পাবনা, পট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের নির্বিচার গুলিতে অন্তত সাত শতাধিক মুসল্লি ও সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হন।
পাবনায় ২ : সর্বশেষ গতকাল পাবনায় জামায়াতের ডাকা অর্ধদিবস হরতাল চলাকালে পুলিশের গুলিতে দুই জামায়াত কর্মী নিহত হন। নিহতরা হলো ধর্মগ্রাম এলাকার শমশের আলীর ছেলে আলাল হোসেন (১৮) ও মনোহরপুর এলাকার আবদুল কুদ্দুসের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (২৩)। গুলিবিদ্ধ আরও ২ জনের অবস্থা আশঙ্কজনক হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। গতকাল সকাল ৮টার দিকে সদর উপজেলার পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের বাঙ্গাবাড়িয়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিজিবি ও রেঞ্জরিজার্ভ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ২৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দুই কর্মী নিহতের প্রতিবাদে জামায়াত আজ বিক্ষোভ কর্মসূচি ও সোমবার দোয়া দিবস ঘোষণা করেছে।
কক্সবাজারে ৪ : গত ১৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে কক্সবাজার শহরে সাঈদী মুক্তি পরিষদ আয়োজিত সর্বস্তরের মানুষের মিছিলে পুলিশ নির্বিচার গুলি চালায়। গুলিতে চারজন নিহত ও দেড় শতাধিক গুলিবিদ্ধ হন। নিহতরা হলেন সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের জামায়াতকর্মী নুরুল হক (৪২), পিএমখালী ইউনিয়নের মোক্তার আহমদের ছেলে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ (৪২), শহরতলীর গোদারপাড়ার কলিম উল্লাহর ছেলে শিবিরকর্মী তোফায়েল উদ্দিন (২২) ও ছালেহ আহমদ (৪৫)। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন কক্সবাজার শহরে ওইদিন বিকাল সাড়ে চারটা থেকে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে। পুলিশের নির্বিচার গুলিতে জামায়াত-শিবিরের তিন কর্মীসহ চারজন নিহত হওয়ার প্রতিবাদে পরদিন দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডাকে জামায়াত।
কুমিল্লায় ১ : গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হরতালের সময় কুমিল্লায় জাময়াত-শিবির কর্মীদের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে ইব্রাহীম নামে এক জামায়াত কর্মী নিহত হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে তার মৃত্যু হয়। এ সময় ৩ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় আরও ২৫ জন। জামায়াতকর্মী নিহতের প্রতিবাদে জেলা জামায়াত পরদিন ১৯ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লায় আধাবেলা হরতাল পালন করে। নিহত ইব্রাহীম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের আনন্দপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। গুলিবিদ্ধ গুরুতর আরও দুইজন হলেন, শিবিরকর্মী চৌদ্দগ্রামের দুর্গাপুর গ্রামের কবির আহমদের ছেলে এনায়েত ও লুদিয়ারা গ্রামের মুকবুল হোসেনের ছেলে নাঈম উদ্দিন মুরাদ।
গাইবান্ধায় ৩ : গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইসলাম ও নবী (সা.)-কে অবমাননার প্রতিবাদ ও ধর্মদ্রোহী নাস্তিক, মুরতাদদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ফুঁসে ওঠা ইসলামী জনতার মহাজাগরণ দমাতে নির্বিচার গুলি চালালে গাইবান্ধায় তিন মুসল্লি নিহত হন। এরা হলেন গোবিন্দপুরের শিবিরকর্মী মোমিন ও মুঞ্জু এবং মহদিপুর ইউনিয়নের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কোকিল। এছাড়া ২৫ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় অন্তত ৫০ জন। শুক্রবার জুমা নামাজ শেষে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সমমনা কয়েকটি ইসলামী দলের কয়েক হাজার লোক মিছিল করে রংপুর-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ করলে পুলিশ বিনা উসকানিতে ৩০ রাউন্ড গুলি চালায়। এতে ২ জন ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে নেয়ার পথে মোমিন নামে আরও একজন মারা যান। এ সময় কমপক্ষে ২০ জনকে আটক করে পুলিশ।
সিলেটে ১ : একই দিন বাদ জুমা সিলেটে তৌহিদি জনতার মিছিলে পুলিশের নির্বিচার গুলিতে মোস্তফা মুর্শেদ তাহসীন (১৮) নামে এক যুবক নিহত হয়। নিহতের বাবা নুরুল মোস্তফা জালালাবাদ গ্যাসে কর্মরত। এম সি কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্র তাহসীন জুমার নামাজ শেষে হাউজিং এস্টেট মসজিদ থেকে মুসল্লিদের মিছিলে অংশ নেয় এবং চৌহাট্টায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়। এ সময় কমপক্ষে ৫০ জন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশতাধিক আহত হন। এর পর নগরীর চৌহাট্টা পয়েন্ট ও সংলগ্ন সড়কগুলো রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এছাড়া এদিন রাজধানীসহ রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সিলেট, কুমিল্লা, বগুড়া, পাবনা, পট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের নির্বিচার গুলিতে অন্তত সাত শতাধিক মুসল্লি ও সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হন।
পাবনায় ২ : সর্বশেষ গতকাল পাবনায় জামায়াতের ডাকা অর্ধদিবস হরতাল চলাকালে পুলিশের গুলিতে দুই জামায়াত কর্মী নিহত হন। নিহতরা হলো ধর্মগ্রাম এলাকার শমশের আলীর ছেলে আলাল হোসেন (১৮) ও মনোহরপুর এলাকার আবদুল কুদ্দুসের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (২৩)। গুলিবিদ্ধ আরও ২ জনের অবস্থা আশঙ্কজনক হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। গতকাল সকাল ৮টার দিকে সদর উপজেলার পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের বাঙ্গাবাড়িয়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিজিবি ও রেঞ্জরিজার্ভ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ২৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দুই কর্মী নিহতের প্রতিবাদে জামায়াত আজ বিক্ষোভ কর্মসূচি ও সোমবার দোয়া দিবস ঘোষণা করেছে।
গতকাল যারা মসজিদ থেকে আন্দালনে বেরিয়েছে তারা মুসলমান নয় : কামরুল ২৩/০২/২০১৩
গতকাল যারা মসজিদ থেকে আন্দালনে বেরিয়েছে তারা মুসলমান নয় : কামরুল
========================== ==============
সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, গতকাল যারা মসজিদ থেকে আন্দালনে বেরিয়েছে তারা মুসলামন নয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নামাযের সালাম ফিরাতেই তারা রাস্তায় নেমে পড়ে, এরা কেউ সুন্নত পড়েনি। এরা প্রকৃতার্থে মুসলমান নয়। শনিবার ১৪ দলের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রমনা থানা ১৪ দল আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবশে তিনি এসব কথা বলেন।
http:// www.banglasongbad24.com/ index.php/content/news/3016
==========================
সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, গতকাল যারা মসজিদ থেকে আন্দালনে বেরিয়েছে তারা মুসলামন নয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নামাযের সালাম ফিরাতেই তারা রাস্তায় নেমে পড়ে, এরা কেউ সুন্নত পড়েনি। এরা প্রকৃতার্থে মুসলমান নয়। শনিবার ১৪ দলের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রমনা থানা ১৪ দল আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবশে তিনি এসব কথা বলেন।
http://
ওরা তো উত্তরাধিকার সূত্রে নেতৃত্ব পেয়েছে
কেউ নিজের দেওয়া কথা না রাখলেও অন্যের কথা রেখেছে। অর্থাৎ সরকারী দল বিরোধী দলের আর বিরোধী দল সরকারী দলের, বর্তমান আওয়ামীলীগ ঐক্যজোটের শাসন আমলের দূর্নীর দোহাই দিয়ে দূর্নীতির প্রতিযোগীতায় নেমেছে, অন্যদিকে বিএনপি তৎকালীন বিরোধীদল আওমীলীগকে অনুসরন করে সরকারকে বিপদে ফালাবার প্রতিযোগীতায় নেমেছে। মধ্যখানে ভূক্তভোগী হলাম আমরা বোকারদল জনগন। .দেশের বর্তমান অবস্হায় মালয়েসিয়ার মাহাথীরের মত একজন লোক দরকার। বর্তমান নষ্ট রাজনীতি নিষিদ্ধ করে রাখা উচিত অন্তত আগামী ১০-১৫ বছর। দূর করা হোক সব দুর্নীতি আর দুর্নীতি বাজদের।এই সময়ের মধ্যে নতুন প্রজন্মএর সু শিক্ষিত তরুন সমাজে সুস্থ রাজনীতির শিক্ষা ও চর্চা করিয়ে গড়ে তোলা হোক। যাদের সবাই দেশের সত্যিকারের ইতিহাস জানবে, ইতিহাস নিয়ে কোন দ্বন্দ থাকবেনা,, তারা বুঝবে দেশের স্বার্থ , তারা জানবে প্রতিশ্রুতি কি , তারা জানবে সত্যিকারের গনতন্ত্র কাকে বলে ??
ওরা তো উত্তরাধিকার সূত্রে নেতৃত্ব পেয়েছে। নেতৃত্ব কতটা দৃঢ় তা তো উইকিলিকিস থেকে ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে। কাজেই কথা রাখার যোগ্যতার বিষয়টিও আমাদের বুঝতে হবে
আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম?
আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম?
কি অপরাধ ছিল এই লোকটির?
কুরআনকে ভালোবাসাই কি তার অপরাধ?
রাসুল (সাঃ) ভালোবাসাই কি তার অপরাধ?
কোথায় এখন মানবাধিকার?
এই কোন স্বাধীনতা?
কোথায় সুশীল সমাজ ।তারা কি অন্দ ? দিতকার জানাই তুমাদের। ৯৫% মুসলিম এর বাংলাদেশে মুসলিমদের শাদিনতা নেই ... নাস্তিকরাই শাসন কতেচে বাংলাদেশের মুসলমানদের । আলালুয়াকবার আলালুয়াকবার আলালুয়াকবার । জাগো বাংলার মুসলিম ভাইয়েরা বেঙ্গেদাও নাস্তিকের কালে হাত । আমিন
কি অপরাধ ছিল এই লোকটির?
কুরআনকে ভালোবাসাই কি তার অপরাধ?
রাসুল (সাঃ) ভালোবাসাই কি তার অপরাধ?
কোথায় এখন মানবাধিকার?
এই কোন স্বাধীনতা?
কোথায় সুশীল সমাজ ।তারা কি অন্দ ? দিতকার জানাই তুমাদের। ৯৫% মুসলিম এর বাংলাদেশে মুসলিমদের শাদিনতা নেই ... নাস্তিকরাই শাসন কতেচে বাংলাদেশের মুসলমানদের । আলালুয়াকবার আলালুয়াকবার আলালুয়াকবার । জাগো বাংলার মুসলিম ভাইয়েরা বেঙ্গেদাও নাস্তিকের কালে হাত । আমিন
শাহবাগে শিশু-কিশোরদের শিবির ধর জবাই কর
শাহবাগে শিশু-কিশোরদের শিবির ধর জবাই কর শেখানো হয়েছে তাতে প্রথম আলোর মাথা ব্যাথা নেই কিন্তু রাজশাহীতে নবীর অবমাননার প্রতিবাদ জানাতে শিশু কিশোররা কেন মিছিলে আসলো তাই নিয়ে মাথা ব্যাথা প্রথম আলোর.
http://
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)




