বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৩

**ছবিতে নিহত স্বামী স্ত্রী**

পৃথিবী ছেড়ে গেলেন প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরে!!! 
সাভারের রানা প্লাজা ধসে এভাবেই অকালে ঝরে গেল বহু প্রান!!!

**ছবিতে নিহত স্বামী স্ত্রী**

জন্মই যেন আমাদের আজন্ম পাপ

জন্মই যেন আমাদের আজন্ম পাপ, আর সেই পাপ মোচন করতেই অনেককেই পুরে অঙ্গারে হতে হয়, কংক্রিটের নিচে চাপা পরতে হয়। হত্যা, খুন, গুম ধর্ষনের বলি হয়েও আমরা অনেকেই পাপ মোচন করে থাকি। আমি দার্শনিক নই, অনুভব ও অনুভূতির উর্ধে খালি চোখে স্পস্ট প্রতীয়মান – এই মৃত মানুষ গুলোর কি খুবই উচ্চাকাঙ্খা ছিল? তারা কি উচ্চভিলাসি? অবশ্যই না; শুধু মাত্র দু-বেলা খেয়ে বেচে থাকার নিরন্তন প্রচেস্টার লড়াইয়ে তারা সৈনিক মাত্র। হল মার্কের ৪,০০০ কোটি টাকা, পদ্মা সেতু, শেয়ার বাজার বা অতি সম্প্রতি সোনালি ব্যাঙ্কের ১,৬০০ কোটি টাকা জালিয়াতির কোন খবরই সম্ভবত তাদের কাছে ছিল না। সিঙ্গাপুর থেকে তারেক বা কোকোর কত টাকা দেশে ফেরত আনা হয়েছে সেটাও এই বলি হয়ে যাওয়া মানুষ গুলোর কাছে ভিত্তিহীন ছিল।

কত সপ্ন ও অনুভূতির মৃত্যু? ছোট ছেলেটা হয়ত তার বাবাকে বলেছিল রঙ্গিন একটা শার্ট কিনে দেবার জন্য, স্ত্রী হয়ত স্বামীকে বলেছিল যে আসার পথে বাজার থেকে ভাল কিচ্ছ মাছ কিনে আনার জন্য কারন ছোট খুকি কয়েকদিন যাবত মাছ খাবার বায়না ধরেছে যে! কারো হয়তো কিছু দিন পরেই বিয়ের পিড়িতে বসার কথা, মেয়েটার মনে সে কি আনন্দ অনাগত সুখ-সমৃদ্ধ জীবনের কথা ভেবে! কারো অসুস্থ বাবা-মায়ের হয়তো ঔষধ শেষ হয়ে গিয়েছে, বাড়ি ফেরার পথে হয়তো তা নিয়ে আসবে তার উপার্জন-ক্ষম একমাত্র সন্তান!

এত নিষ্পাপ অনুভূতির মৃত্যুর ক্ষত কি রাষ্টীয় শোক দিবস পালন করলেই সেরে যাবে? মৃত মানুষ গুলো আর কোন দিন ফিরে আসবে না। আহত-নিহতদের চিকিতসা ও সাহায্য এখন অতিব প্রয়োজন যা কিনা রাষ্টীয় শোকের আতলামীর চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ন। অবিলম্বে দ্বায়ী ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে দৃস্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যাবস্থা করা না হলে আরো অনেক মৃত্যু আমাদের দেখতে হবে। আমাদের দেশে রাজনৈতিক ও সামাজীক অবস্থান গুলোতে যে ভয়াবহ অবক্ষয় বিরাজমান তা দুর করা না গেলে অদুর ভবিষ্যতে বছরের ৩৬৫ দিনকেই রাষ্টীয় শোক দিবস হিসেবে আমরা পাব।

মা আমাকে বাঁচাও।

আটকে থাকা ছেলে তার মাকে ফোন করে বলছে, "মা আমি ভিতরে আটকে আছি, নি:শ্বাস নিতে পারছিনা। মা, আমার সামনে একটা মেশিন, মেশিনটা যেকোন সময় সরে এসে আমার উপর পরতে পারে। মা আমার গলা প্রচন্ড শুকিয়ে গেছে আমি পানি খাবো। মা আমাকে বাঁচাও।" ফোন পেয়ে উদ্ধারের জন্য প্রাণপনে ছোটাছুটি করছে মা। অথচ উদ্ধার করার মত যথেষ্ট সরঞ্জাম আমাদের নেই। একজন মা শত চেষ্টা করেও হয়ত তার এই সন্তানটাকে জীবিত উদ্ধার করতে পারবেনা। একসময় ফোনে সন্তানের কাতরানো শুনতে শুনতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলবে মা, মরে যাবে ছেলেটি। এর চেয়ে নির্মম আর কি হতে পারে??
আসুন আমরা দুই হাত তুলে পমকরুনাময়ের কছে দুর্ঘটনা কবলিত সবার জন্য দোয়া করি !!!

কে দিলো নূপুর তোকে

কে দিলো নূপুর তোকে . . .

এই ছবিটি কার? হয়ত আমার-আপনার বোনের অথবা আমাদের কারোরই কেউ না! কিন্তু আপনি ছবিটির দিকে তাকান, পায়ে নূপুর বাধা! তার মুখ দেখা যাচ্ছে না। দেখা যাচ্ছে না শরীরের অন্য কোনো অংশও। শুধু তার পায়ে বাঁধা আছে একটা নূপুর। পায়ের আঙুলে রক্ত মাখা। সে পা তাক করে আছে আমাদের দিকে! কার দিকে?

এটা নিশ্চিতভাবে জেনে রাখুন, এ পা আমার দিকে, আপনার দিকে, রাষ্ট্রযন্ত্রের দিকে!
এটা তার প্রতিবাদ!

ওরা আটকা পড়ে রাষ্ট্রযন্ত্রের এক ক্ষমতাশীল সুবিধাভোগীর রানা প্লাজায়। গত পরশু দিনও তিনি বেঁচে ছিলেন। কাল আটকা পড়ার পর কখন তিনি মারা গেছেন, সেটা আমরা কেউই জানি না। হয়ত মারা যাওয়ার আগে তার এ প্রতিবাদ! তার এ প্রতিবাদ আমার, আপনার আর রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতি!

কিন্তু রাষ্ট্রযন্ত্র কি তার এ প্রতিবাদ আমলে নেবে? আমরা দেখছি, রানা প্লাজার সামনে বুধবার থেকে আহত-নিহত স্বজনদের আহাজারি!

ভাই যেমন বোনকে খুঁজছেন। বোন খুঁজছেন তার ভাইকে। বাবার খোঁজে, ছেলে-মেয়ের খোঁজে মা।

আমরা যারা মিডিয়ায় কাজ করি, তারা বুধবার থেকে সেখানে অবস্থান নিয়েছি। হয়ত আরও কিছু সময় আমরা থাকবো। আহত-নিহতদের স্বজনদের মুখের কথা বের করবো। ভবনের মালিকের বিচার চাইবো। কিন্তু সেটা কতদিন, প্রশ্নটা সেখানেই!

আমরা দেখেছি, তাজরীনের মালিককে পাশে বসিয়ে বিজিএমইএর কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তারপর আর তাজরীনের মালিকের খবর নেই। আর রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য তোহিদ জং মুরাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন বলে পরিচিত।

সেখানে কি সোহেল রানার আদৌ বিচার হবে? আমরা কি পারবো তাকে বিচারের মুখোমুখি করতে?

তাই, নাম না জানা ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপাপড়া এই কিশোরী আমাদের দেখিয়ে দিলো- “তোমরা যা পারছো না আমি তা করে গেলাম!” এ যেন সেই রবি ঠাকুরের গল্পের মতোই ‘কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই’।

তেমনি এই কিশোরীর পা দেখে মনে হয়, এ এক মানবিক প্রতিবাদ, জীবনের জন্য অসহায়ের দ্রোহ!!

জাকিয়া আহমেদ, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

পৃথিবী ছেড়ে গেলেন প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরে।

পৃথিবী ছেড়ে গেলেন প্রিয়জনকে জড়িয়ে ধরে। সাভারের রানা প্লাজা ধসে এভাবেই অকালে ঝরে গেছে বহু প্রান.

বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৩

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার


বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার


কত ব্যথা বুকে চাপালেই তাকে বলি আমি ধৈর্য


নির্মমতা কতদূর হলে জাতি হবে নির্লজ্জ                                                   




ইছচে করছে ছুটে গিয়ে উদ্বার কাজে অংশ নিই কিন্তু অনেক দুরে..... মৃত সবার মাগফিরাত কামনা করি। আর যারা ভবন করতে মানুষ মারার ব্যসবসথা রেখেছে ওই টাকাখেকো কাপুরুষদের শাসতি চাই এবং ফাটল দেখার পরে ও যারা লাশের মিছিল দেখতে চেয়েছে শুধু টাকা আয়ের জন্য ওই অমানুষদের ও উপযুক্ত বিচার দাবি করি। যদি ও এই দেশ কখনো তাদের টিকিটি ও ছুতে পারবেনা !! এবং কিছুই হবেনা তাদের!!

মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৩

কি ঘটেছিল সেদিন

কি ঘটেছিল সেদিন ফটিকছড়িতে প্রকৃত সত্য জানুন.. 
*********************************
এই লেখা গুলো কোন মিড়িয়াতে আসেনাই, যথেষ্ট তথ্যপ্রমান সাপেক্ষে এই লেখা সাজানো হয়েছে।
-----------------------------------------------------
১১ই এপ্রিল ২০১৩ সেদিন ছিল শিবিরের ডাকা দেশব্যাপি হরতাল, আওয়ামিলীগ কর্মীরা বের হয়েছিল তাদের শক্তি প্রর্দশনের জন্য। নেতৃত্ব দিয়েছিল এটিএম পেয়ারুল ইসলাম নামের গত এমপি নির্বচনে সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীর কাছে হরে য়াওয়া প্রাথী। তার সাথে ছিল ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী গ্রুপ তায়্যুব বাহিনী, যার মাললার সংখ্য ৩৫টি, আর এই সন্ত্রাসী বাহিণীর কাছে ছিল অত্যধুনিক সমরাস্ত্র। তাদের পাহারায় ছিল স্থানিয় পুলিশ বাহিনী। তাদের সাথে ছিল ২০০ টি মোটর সাইকেল, ৫ টি মিনি ট্রাক, ৩ টি মাইক্রোবাস, ২ টি কার। এলাকার লোকের কাছে জানাযায় তাদের সংখ্য ছিল ৬০০ থেকে ৭০০ আওয়ামী লীগ, ছাত্র লীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসী। তারা এসেছিল বিশাল গাড়ি বহর নিয়ে ৯ কিলোমিটার দুর থেকে ফটিকছড়ির ভুজপুর নামক গ্রামে মাদ্রাসা গুড়িয়ে দেওয়ার জন্যে। উল্লেখ্য তারা এর ২দিন আগে হেফাজতে ইসলামের হরতালে তাদের এলাকায় হরতাল বিরুধী মিছিলে ফটিকছডির বিভিন্ন মাদ্রাসা ঘুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
প্রথমেই ভুজপুর বাজারে নেমে এক বৃদ্ধের দাড়ি নিয়ে টানা টানি শুরু করে এবং তাকে রাজাকার বলে গালাগালি শুরু করে।স্লোগানের মাঝে তারা এক ভয়ংকর স্লোগান দেয়, মৌলানা শফির গা…/জুতা মা..(নাউযুবিল্লাহ) এই স্লোগন শুনার পর মাদ্রসার ভিতরে অবস্থান করা কিছু বাচ্ছা ছেলে নিজেদের কে আর স্থীর রাখতে পারে নাই। তারা নারায়েতকবীর…/ নাস্তিকদের গালে গালে জুতা মারো তালে তালে স্লোগান ধরে। এর পর আওয়ামী সন্ত্রাসী গুলো মাদ্রসা লক্ষ্য করে ইটা নিক্ষেপ করে, কয়েটা মাদ্রাসার ছাত্রকে মারধর করতে থাকে। এর মধ্যে বাজারে ছড়িয়ে যায় মাদ্রসার ছেলেদের মরধর করতেছে সন্ত্রাসীরা, পরিস্তিতি মুহুর্তের মধ্যেই গোলাটে হয়ে যায়, সবাই সংঘবদ্ধ হয়ে সন্ত্রসীদের প্রতিরোধ শুরু করে। এরই মধ্যে একজনে মসজিদের মাইকে ঘোষনা দিয়ে সন্ত্রাসী প্রতিরোধ করার আহবান জানায়, চারদিক থেকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ যার যা আছে তাই নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। ভুজপুর বাজারের পড়েযায় ১৭টি লাশ। অনেকেই পালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু ব্যার্থ হয় সারা গ্রাম দৌড়িয়ে দৌড়িয়ে পিটাত থাকে, অর্ধশত আওয়ামী সন্ত্রাসী কে হত্যা করে ৩০০ সন্ত্রাসীকে আহত করে। পুলিশ ব্যর্থ হয়ে বিড়িয়ার কল করলে নেতা টাইপের কিছু সন্ত্রাসী জানে বেছে যায়। তাদের বহনকারী ২০০ মোটর সাইকেল ও অন্য সব গাড়ী গুলো জনতা জ্বালিয়ে দেয়, সাথে আগুন নিভাতে আসা ফায়ার ব্রিগেটের একটি গাড়িও জ্বালিয়ে দেয়।
ফটিকছড়ি থানা থেকে এটাকে পৃথক করা হয়েছে। তাদের পক্ষে লক্ষাধিক মানুষ সামাল দেয়া সম্ভব ছিল না। তাদের সাথে যোগ দিল ফটিকছড়ি থানার ২৫-৩০জন পুলিশ। না, তারা্ও ব্যার্থ। পাবলিক তাদের হালকা পাতলা মাইর দিয়ে ভাগায়। পুলিশ আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল হতাহত মানুষগুলোরে চিকিত্সা দিতে, কিন্তু জনগণ নাছোড় বান্দা, তাদের জীবিত ছাড়তে রাজি নন। অবশেষে বিজিবি আসলে তাদের পরিস্থিতি কিছুটা শীতল হয়। ততক্ষণে পাবলিক তার কাম বুঝায় দিছে, বাকি রইলোনা মাইর খাওয়ার মত কেও।

প্রশাসনের ব্যর্থতা ডাকতে লাশ গুম করা হল। সংঘর্ষের তিনদিন পরও লাশ মিলে খালে বিলে ডোবায়। গণপিটুনীতে অংশগ্রহণকারীদের কারো কারো মতে মৃতের সংখ্যা ১০০ এরও অধিক। তাছাড়া এই সংবাদ প্রচার হলে সারা দেশে ছাত্রলীগের মনোবল ঠিক রাখা যাবে না । ছাত্রলীগ নেতা -কর্মীরা পালিয়ে যাবে, যা আগামী নির্বাচনের জন্য হুমকি হয়ে যাবে। তাই মাইর খেয়েও চিৎকার করতে পারছে না আবার সহ্যও করতে পারছে না।

সন্ত্রাসী হত্যা = ৫০+
সন্ত্রাসী আহত = ৩০০+
মোটর সাইকেল জ্বালীয়ে দেওয়া = ২০০+
কার, মাইক্রো, মিনি ট্রাক জ্বালীয়ে দেওয়া = ১০+
ফায়ার ব্রিগেটের গাড়িও জ্বালিয়ে দেওয়া = ১

এত লাতি খাওয়ার পরও আওয়ামী লীগ কিছুই করতে পারবেনা, কারন দেশে ১০% লোকও আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেনা, ফটিকছড়ির মতো যেখানেই গুন্ডামি করবে, সেখানেই গণ ধোলাই খেয়ে প্রাণ হারাবে...

সোমবার, ৪ মার্চ, ২০১৩

দেশে আবার ১/১১ চাই অতিশিঘ্রী

আমি জানি , কেউ আর এখন আমার সাথে একমত হতে চাইবেন না। কিন্তু এর সমাধান কোথায়? দিতে পারবেন কেউ আমার প্রশ্নের উত্তর?
কাকে ভোট দিব আমি?
চোরের দল বি এন পি কে?
নাকি চোরের বড় ভাই , মিথ্যুক , বলদ আওয়ামিলিগ কে?
এর চেয়ে ১/১১ ই ভাল।

গত ২০০৭, ২০০৮ সেনা শাসনের সময় দেশের জনগণ বড় আশা করে বুক বেঁধেছিল এবার হয়তো আমাদের রাজনীতির পরিবর্তন হবে, দিন বদল হবে। দেশ ও মানুষের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো কাজ করবে কিন্তু সে আশা মরিচিকা। গু গু'ই ! হাসিনা খালেদার পরিবর্তন সম্ভব না তা গত আড়াই বছরে দেশের তরুন সমাজ এই বিষয়টি চুড়ান্ত ভাবে বিশ্বাস করেছে। তাই আজ দেশের নতুন প্রজন্ম, ৭৫% জনগণ আকুল হয়ে আর একটা ১/১১ এর অপেক্ষায় আছে এবং পরিকল্পনা করছে অন্তত ১০ বছর সেই ১/১১ ধরে রাখতে। আপনার ভোট দিন। 

রবিবার, ৩ মার্চ, ২০১৩

এই গণহত্যার শেষ কোথায়?


সাঈদীর মুক্তি দাবি করায় আজ বগুড়ায় ঘাতক পুলিশের নির্মম বুলেটে ঝরে গেল ১২টি তাজা প্রাণ। এই গণহত্যার শেষ কোথায়?
সারাদেশে নরকীয় গনহত্যা চালাচ্ছে খূনী সরকার..এই হত্যাযজ্ঞের শেষ কোথায়?? সারাদেশব্যপী ফ্যাসিস্ট আ'লীগ সরকার কর্তৃক বিরোধী দলীয় নেতাকর্মী ও নিরীহ জনগন নির্যাতন ও গণহত্যার স্বীকার হচ্ছে.....কোথায় কথিত মনবাধিকারের বুলিওয়ালা দালালেরা ..... সুশীল সমাজের কুশীলবরা। ধিক্কার জানাই ওইসব দালালদের.

আওয়ামীলীগ,বি,এন,পি,জামাত,জাতীয়পার্টি দূর হয়ে হয়ে যাক।


সত্য করে বলেন তো ১/ ১১ বাংলাদেশের জন্য খারাপ ছিল কিনা ? আমার মনে হয় এদেশের জন্য ঐরকম শাসন ব্যবস্থা একান্ত প্রয়োজন ।ঐ সময় আমরা রাজনীতিবিদের আসল রূপ দেখতে পেয়েছিলাম এই ১/১১ এর কল্যাণে ।সবাই ঠিক সময়ে অফিসে আসত, সবার ভিতর একটা ভয় কাজ করত ।সত্য যদি মাইনাস ২ হতো এদেশে একটা আসল পরিবর্তন হতো।রাজনীতির জন্য এটা শুভ বার্তা বয়ে আনত। কিন্তু এদেশের বোকা জনগন তাদের সহোযোগিতা না করায় ১/ ১১ এর নায়করা তাদের পিঠ বাচিয়ে সরে পড়তে বাধ্য হয়েছিল । আমার মনে হয় বাংলাদেশে একজন অনেস্ট লোকের দীর্ঘমেয়াদী একনায়কতন্ত্র প্রয়োজন ।
যেমন ধরেন 
হাইব্রিড হানিফ একটা খুজলি,
টাকু কামরুল একটা বিখাউজ,
সাহারা খাতুনের আছে পাচড়া,
আশরাফের একজিমা,(ঘুম থেকে উঠে সকাল ১১টায়)
আওয়ামী দালালদের আছে দাউদ
আর 
শেখ হাসিনার চুলকানি (মুখে চুলকানি)
গণতন্ত্র নামে স্বৈরশাসন ও পুলিশতন্ত্র চাই না.....চাই শান্তি 
চাই না শেখ হাসিনার মিথ্যা ও প্রতিহিংসামূলক দেশ শাসন....
এদের সকলের কঠিন ডলা মলম দরকার.....
এবং পুরো জাতির শান্তি ও মঙ্গলের জন্য আরেকবার মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকার চাই
কারণ
জনগণের শান্তির নামে অশান্তি ও ক্ষমতার হানাহানির গণতন্ত্রের চেয়ে সামরিক শাসন অনেক শান্তির এবং অনেক স্বাধীন একজন সাধারণ মানুষের কাছে......
অন্তত সে নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারে, বলতে পারে,পুলিশ লাঠির মতো সোজা হয়ে মানুষের সেবা করে, রাস্তায় আইন সঠিক ভাবে প্রয়োগ হয় যা দেখেছি মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকারের সময়।
আমারতো কোনো সমস্যা হয়নি তাদের সময় সমস্যা যা হয় ঐ বদ,অসৎ ও মিথ্যাবাদী রাজনীতিবিদদের। তাদের ঘুম হারাম করে দিয়েছিল মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকার।
কোথায় আছো হে মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দীন ফিরে এসো আরেকবার...... 
যাকে কোলে তুলে ক্ষমতায় বসিয়ে গিয়েছো তাকে একটা আছাড় দিয়ে নামিয়ে যাও.....
আমরা তোমাদের অপেক্ষায় রইলাম....

তৃতীয় শক্তির উদ্ভব হবেই



হে আল্লাহ্‌ তুমিই একমাত্র পার আমাদের বাংলাদেশে শান্তি পিরে দিতে।আমরা কার কাছে যাব? বাংলাদেশে সব রাজনৈতিক দল সুবিদা বাদি। এক দলের কাছে গেলে আরেক দলের দোষ দে আবার আরেক দলের কাছে গেলে অন্য দলের দোষ দে। সব সমস্যা আমাদের মত সাধারন পাবলিকের ,এই পর্যন্ত এত গুলো লোক যে মারা গেলে এর বিতরে কি আমাদের মত এক জনও সাধারন লোক নাই ,যে কোন দল করে না?বাংলাদেশে কেন এত মারামারি হানাহানি হচ্ছে ? কেন? কেন


এ নোংরা রাজনীতি বাদ দিতে কিছু দিনের জন্য হলে সেনা শাসনের প্রয়োজন ও দেশের নিরহ অবুঝ মানুষ গুলোকে বাঁচাতে। আসুন আমরা জনমত গঠন করি 
এখানে এটি বিষয় না বললে নয় সেটি হলো মাননীয় শেখ হাসিনা, খালেদা, সাঈদির ও অন্যান্য নেতার কোন আত্বীয় হত্যার শিকার হয়েছে কি? না বরং নিরহ হত দরিদ্র ও অবুঝ মানুষ গুলো হত্যার শিকার হচেছ। যাদের ১৯৭১ সালে পৃথিবীতে জন্ম হয়নি তারা তো হত্যার শিকার হচেছ। তাদেরকে আপনি শিবির বলেন, আর শাহবাগী নেতা বলেন তারা তো হত্যার শিকার হচেছ ও হবে। মাঝখানে আওয়ামীলীগ, বি,এন,পি,জামাত ও অন্যান্য দলের নেতার সুযোগ লুটবে আর আপনার লাশ মাঠির তলে যাবে এতে দেশের কি লাভ করতে পারবেন একটু চিন্তা করেন

ব্রেকিং নিউজ

: বগুড়ায় মাঠে নামানো হয়েছে সেনাবাহিনী। জনতা করতালি দিয়ে তাদের স্বাগত জানিয়েছে। মহিলাসহ ৪ এলাকাবাসী হত্যার পর পালিয়েছে পুলিশ। ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে হাজার হাজার মানুষের অবস্থান।

শনিবার, ২ মার্চ, ২০১৩

গণহত্যা ঠকাতে বাংলাদেশে সেনা শাসন আশু প্রয়োজন



গণহত্যা ঠকাতে বাংলাদেশে সেনা শাসন আশু প্রয়োজন, কারণ বি ডি আর হত্যা কান্ডের পর এটি ও দেশের জন্য মারাত্নক পরিস্থিতি বয়ে আনবে । যে যে রাজনীতি করেন না কেন, যে যে ধর্ম মানেন না কেন, মানুষ হত্যা কোন সময় কোন জাতির জন্য কল্যান বয়ে আনতে পারেনা ।১৯৭১ সালের হত্যাকান্ডের বিচার ৪৩ বছর হতে পারলে ২০১৩ সালের ও বিগত সালের এ অবুঝ ও নিরহ মানুষ গুলোর হত্যার বিচার কেন হবেনা? এটি জঘন্য মানবতাবিরোধী অপরাধ। পৃথিবীর সকল রাজনীতিবিদ ও ধর্মবিদ মিলে এক জন মৃত মানুষের জীবন দিতে পারবে কি? যদি না পারে তাহলে, প্রয়োজনে রাজনীতি বাদ দিয়ে মানুষ বাঁচান। আসুন আমরা এমন রাজনীতি বয়কট করি। এ নোংরা রাজনীতি বাদ দিতে কিছু দিনের জন্য হলে সেনা শাসনের প্রয়োজন ও দেশের নিরহ অবুঝ মানুষ গুলোকে বাঁচাতে। আসুন আমরা জনমত গঠন করি 
এখানে এটি বিষয় না বললে নয় সেটি হলো মাননীয় শেখ হাসিনা, খালেদা, সাঈদির ও অন্যান্য নেতার কোন আত্বীয় হত্যার শিকার হয়েছে কি? না বরং নিরহ হত দরিদ্র ও অবুঝ মানুষ গুলো হত্যার শিকার হচেছ। যাদের ১৯৭১ সালে পৃথিবীতে জন্ম হয়নি তারা তো হত্যার শিকার হচেছ। তাদেরকে আপনি শিবির বলেন, আর শাহবাগী নেতা বলেন তারা তো হত্যার শিকার হচেছ ও হবে। মাঝখানে আওয়ামীলীগ, বি,এন,পি,জামাত ও অন্যান্য দলের নেতার সুযোগ লুটবে আর আপনার লাশ মাঠির তলে যাবে এতে দেশের কি লাভ করতে পারবেন একটু চিন্তা করেন

একান্ত সাক্ষাত্কারে নিহত বিডিআর মহাপরিচালক শাকিল আহমেদের ছেলে


একান্ত সাক্ষাত্কারে নিহত বিডিআর মহাপরিচালক শাকিল আহমেদের ছেলে : রাজনৈতিক প্রটেকশন ছাড়া পিলখানা হত্যাকাণ্ড সম্ভব ছিল না : হত্যাকাণ্ডের কথা শেখ হাসিনা জানতেন



















ঐ ছেলের কথায় যথেষ্ট যুক্তি আছে কারন সাধারণত দেখা যায় সশস্ত্র বাহিনীর কোন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী থাকেন প্রধান অতিথি তো ২৫ শে ফেব্রুয়ারি আমাদের হাসিনা বুবু কেন পিলখানায় গেলেন না? ২৫ শে ফেব্রুয়ারীর আগের দিন অর্থাৎ ২৪ শে ফেব্রুয়ারী উনি সেখানে যাওয়া বাতিল করলেন কেন? দেশ বাসীকে আজ গভীরভাবে ভাবতে হবে! বুঝলাম উনি কোন কারনে যাননি তাহলে আর্মি পাঠাতে উনার অসুবিধা ছিল কোথায়? কেন তিনি সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত ফোর্স পাঠাতে নিষেধ করলেন? জাতি আজ এই প্রশ্নের উত্তর চাই!

শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০১৩

চরম লজ্জিত আজ আমি এ জাতির একজন হয়ে ।


চরম লজ্জিত আজ আমি এ জাতির একজন হয়ে ।
আমি খুবই মর্মাহত এ ভূমিতে জন্ম নিয়ে ।আমি ঘৃনা করি এদেশের সরকার ।যে সরকার একদিনে ৮০ জন লোক হত্যা করেছে অথচ তার মন্ত্রীগন পদত্যাগতো থাক দূরের কথা সগর্বে বুলি আওড়াচ্ছেন ।আমি ঘৃনা করি এদেশের মানুষজনকে যারা এ সরকারকে নির্বাচন করেছে ।আমি ঘৃনা করি তোদের ।আমি ঘৃনা করি ।আমি চরম লজ্জিত ১৬ কোটি বাংলীর আমিও যে ভোট দিয়ে সরকারকে ক্ষমতায় এনেছি একদিনে ৮০ জন মানুষ হত্যা করার জন্য । ভোট দিয়ে এ সরকারকে ক্ষমতায় এনেছি বলে আমিও এই গনহত্যাযজ্ঞের পরোক্ষ অংশীদার । আমি আমার মুসলমান ভাইদের হত্যা করেছি।
ভয়ংকর লজ্জিত আজ আমি ।মা জননী আমার , ক্ষমা করো আমায়।
স্বাদ নেই আর আমার বেঁচে থাকার । চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে না আর আমার আমি বাংলাদেশী আমি মুসলমান আমি বাঙ্গালী ।ঘৃনা করি বুদ্ধিবেশ্যাদের । ঘৃনা করি অসুস্থ সময় ।ঘৃনা করি মানবতাবাদী কুকুরদের ।ঘৃনা করি যারা আজ নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ দাবি করে মানুষ হত্যা করছে ।
চরম ধিক্কার জানাই সময়ের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হলুদ মিডিয়ার প্রতি ।
থু থু ছিটাই আমি তাদের মুখে নাস্তিকদের কাছে যারা বিকিয়ে দিয়েছে নিজেদের বুদ্ধিবৃত্তিকে ।

আমি হতাশ, আমি স্তব্ধ।বাকহারা আজ আমি 

পুলিশের গুলিতে নিহত ৭৭ জন


বায়ান্নর ফেব্রুয়ারিতে নিহত হয়েছিল ৫ জন : এই ফেব্রুয়ারিতে পুলিশের গুলিতে নিহত ৭৭
পুরো ২৪ বছরের পাকিস্তানি শাসনামলে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহতের সংখ্যা ছিল দু’ডজনেরও কম
স্বাধীন বাংলাদেশে এক মাসে এত সংখ্যক নাগরিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে রাজপথে নিহত হয়নি। কেবল স্বৈরাচারী এরশাদের বিরুদ্ধে ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামের এক সমাবেশে পুলিশ গুলি চালিয়ে ১৪ জনকে হত্যা করেছিল। এছাড়া বাংলাদেশে পুলিশের গুলিতে এতসংখ্যক লোকের মৃত্যু হয়নি।
গত ১৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ১১ দিনে ১৮ জন মুসল্লি পুলিশের গুলিতে নিহত হন
হন 

২০১৩ তে এসে গনহত্যা দেখলাম

রার, যারা ফাঁসি চায় না তাঁদের কি অধিকার নাই? ৭১ এর গনহত্যা দেখিনি কিন্তু ২০১৩ তে এসে গনহত্যা দেখলাম! এই গনহত্যা দেখে মনে প্রশ্ন জাগে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়ানো ঐ রাজাকার গুলো কি এখনকার গনহত্যাকারিদের চেয়েও হিংস্র ছিল । মানুষ এতধিক্কার জানাই বর্তমান সরকারকে । নিরস্র মানুষগুলোর উপর নির্বিচার গুলিবর্ষণ । রাস্তায়, ধান ক্ষেতে, বসতবাড়িতে, পুকুর, ডোবায় সব জায়গাই নির্বিচারে মানুষ হত্যা! কি তাঁদের অপরাধ? তাঁদের প্রিয় একজনের মিথ্যা বানোয়াট মামলায় সরকারের আজ্ঞাবহ আদালতের ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ! তাঁদের কি প্রতিবাদ করার অধিকার নেই । কতজন ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই করে রাস্তায় নেমেছে? তাঁদের থেকে অনেক বেশি মানুষ ফাঁসি চাই না বলে রাস্তায় নেমেছে । শুধু যারা ফাঁসি চাই তাঁদের অধিকার আছে বিক্ষভ ক হিংস্র হয় কি করে! যে গণহত্যা চোখে দেখিনি তার জন্য ফাঁসি চেয়ে গলা ফাটাচ্ছি কিন্তু যে গণহত্যা সচক্ষে দেখচি তার সুবিচার চাওয়ার সাহস বা অধিকার কি আমদের নেই ।.

আওয়ামী লীগ আবার প্রমান করল

আওয়ামী লীগ আবার প্রমান করল.
আওয়ামী লীগ কোনো গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল না.
এটি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন.
একটি জঙ্গি সংগঠন.
একটি স্বৈরাচারী দল.
একটি বাকশালী সংগঠন.
একটি ফ্যাসিবাদী সংগঠন.
একটি অগণতান্ত্রিক সংগঠন.
ভারতের পদলেহী দালাল. 
যারা ভারতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন.
দেশ থেকে ইসলামকে নির্মূল করা.
দেশ থেকে ইসলামী আন্দোলন দূর করা. 
দেশকে সৎ, যোগ্য, মেধাবী, দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব শুন্য করার জন্য. 
আজ তথাকথিত আইন শঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নামে. 
দলীয় রক্ষীবাহিনীর মাধ্যমে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে।.
বাংলার মানুষই এর উপযুক্ত জবাব দেবে।.

বৃহস্পতিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

এখন পর্যন্ত ৫০ জন শহীদ

সোনার বাংলা আজ পরিণত হয়েছে মহাশ্বশানে। হত্যা, গুপ্ত হত্যা, ধর্ষণ, গণ ধর্ষণ চারিদিকে কেবলই পৌশাচিক বিভৎসতা। সভ্যতার দম্ভচূড়ায় দাড়িয়ে বিশ্ব কি করে জানবে বাংলাদেশের অপর নাম জাহান্নাম? কি করে বিশ্বাস করবে বিশ্ব বিবেক যে বাংলাদেশে আওয়ামী সরকারের মাত্র আড়াই বছরে দেশে খুন হয়েছে সাড়ে আট হাজার, দুঃস্বপ্নেও কি কখনো ভাবতে পারে যুদ্ধ ছাড়াই কোন দেশে সরকারের মাত্র আড়াই বছরে ধর্ষিত হয় ১ হাজার ২ শত ৩৯ জন মা-ভগ্নি-কন্যা? যুদ্ধের সময়েওকি কোন দেশের সীমান্তে মাত্র আড়াই বছরে প্রাণ হারায় ১৮৩ নিরীহ নাগরিক, তথাকথিত বন্ধুদেশের বিএসএফের পৈশাচিকতায় যা ঘটে গেলো বাংলাদেশে? অথচ এটিই এখন বাংলাদেশের বাস্তবতা। না, মু মুহূর্তে বাংলাদেশ কোন সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সাথে প্রত্যক্ষ সমরে অবতীর্ণ নয়, চলছে না ভয়ংকর কোন গৃহযু্দ্ধ। তবুও প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের প্রতিটি কোনে কোনে কেন এই রক্ত ক্ষরণ? তবে কি বাংলাদেশের সরকার জনগণকেই প্রতিপক্ষ মনে করে, তবে আওয়ামী সরকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ১৬ কোটি নিরীহ শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশীদের সাথে?
কি অপরাধ বাংলাদেশের? কি অপরাধ বাংলাদেশের ষোল কোটি মানুষের? এক সাগর রক্তের বিনিয়মে অর্জিত স্বাধীনতাকে প্রতিবেশী বন্ধুবেশী হায়েনাদের হাত থেকে রক্ষার প্রত্যয়ে উজ্জীবিত বাংলাদেশীর নির্ভেজাল দেশপ্রেমই কি অপরাধ? ৯০ শতাংশ মুসলিম জনতার আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপনই কি অপরাধ? অন্যায়, অপশাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশী মানুষের রুখে দাড়ানোই কি অপরাধ?
বাঙলার স্বাধীনতা র্সূয যেমন পলাশীর প্রান্তরে অস্তমিত হয়েছিল মীরজাফরের মতো নর্দমার কীটের ষড়যন্ত্রে, আজো তেমনি বাংলার রক্তিম সূর্য ঢেকে দিতে চায় শেখ হাসিনার অস্পৃশ্য আঁচল। কে না জানে, প্রতিবেশী দেশের ষড়যন্ত্রে, আতাতের নির্বাচনে ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগ। কেন এসেছে তারা ক্ষমতায় তাও কারো অজানা নয়। দেশের তেল-গ্যাস-সমুদ্রবন্দর দিতে হবে প্রভুদের, দিতে হবে ট্রানজিট ট্রান্সশিপমেন্ট। অথচ ইতোমধ্যে চলে গেছে আড়াইটি বছর। প্রভুদের তীব্র তাড়নায় বেসামাল আওয়ামী সরকার, বিরক্ত আওয়ামী লীগের প্রভূরাও। চারি দিকে শত্রুবেষ্টিত ভারতের কাছে বাংলাদেশের আওয়ামী কৃতদাসেরাই মরুভূমির মাঝে মরুদ্যানসম। দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষায় ঢাকাকে দিল্লির প্রয়োজন ষোলো আনার উপর আঠারো আনা, এমনটাই দাবী ভারতীয় আনন্দবাজার পত্রিকার।
আওয়ামী লীগ জানুক বা নাই জানুক, তাদের প্রভূরা জানে, আওয়ামী লীগের দিন শেষ হয়ে এসেছে বাংলাদেশে। দশটাকা সের চাল আর ঘরে ঘরে চাকুরীর যে মহা প্রতারণার ফাঁদে বন্দী করে বাংলাদেশের ঘাড়ে সিন্দাবাদের ভুতের মতো জেকে বসেছে আওয়ামী লীগ, দুটো বছর যেতে না যেতেই বাংলার মানুষ প্রচন্ড আছাড়ে আওয়ামী মসনদ চূর্ন বিচুর্ন করে দিতে আজ বেপরোয়া। আর তাই ড্রাকুলার মতো ক্ষিপ্রতায় বাংলাদেশকে চুষে চুষে আখের ছোবড়া বানাতে পাগলপ্রায় আওয়ামী লীগের প্রভুরা। ওরা জানে, ষড়যন্ত্র করে বার বার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা যাবে না আওয়ামী লীগকে, জানে আমৃত্যু বোকা বানানো যাবে না ষোলকোটি বাংলাদেশীকে।
আওয়ামী লীগও জানে, প্রভুদের আস্থা ধরে না রাখতে পারলে জনরোষে ভষ্ম হতে হবে। জানে, লাঞ্ছনাকর ক্ষমতাচ্যূত হয়ে ওদের ঠাই নিতে হবে প্রভূদের পায়েই। আর তাই যে কোন মূল্যে প্রভূদের পায়ে তেল মর্দনে ব্যস্ত ওরা। তড়িঘড়ি একের পর এক অপমানজনক চুক্তিতে দেশকে শৃংখলিত করছে আওয়ামী লীগ। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সম্পদ শোষণে প্রভূদের সহায়তা দিতে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ব্যস্ত আওয়ামী লীগ। আর তাই গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করছে আওয়ামী লীগ। তুলে দেয়া হয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো একটি মীমাসিংত ব্যবস্থা। বিশ্ব দরবারে এক ঘরে করে বাংলাদেশকে কেমবল মাত্র ভারতের সেবাদাসে পরিণত করতে সংবিধান থেকে মুছে ফেলা হয়েছে ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশসমূহের সাথে সম্পর্কের ধারা। ব্রাহ্মণ্যবাদীদের তুষ্ঠ করতে, বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশকে হেয় করতে সংবিধান থেকে তুলে দেয়া হয়েছে আল্লাহর উপর অবিচল আস্থা ও বিশ্বাসের ধারা। ক্রমাগত খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করা হচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশকে। আর এভাবেই বাংলাদেশের ভবিষ্যতকে অনিশ্চয়তার মাঝে ঠেলে দিচ্ছেন শেখ হাসিনা।